সন্ত্রাসবিরোধী আইনে তিন দিনের রিমান্ডে ১৩ জন
· Prothom Alo

রাজধানীর বনানীতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা এক মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৩ নেতা–কর্মীকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। বয়স বিবেচনায় এক কিশোর আসামিকে রিমান্ডে না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা এ আদেশ দেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।
Visit sportbet.rodeo for more information.
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করে বলেন, ঘটনার দিন আসামিরা বিশ্বকাপ খেলা দেখছিলেন। তাঁদের কারও কোনো রাজনৈতিক পদ বা সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই।
রিমান্ডপ্রাপ্ত ১৩ আসামি হলেন মোতাহের হোসেন শুভ (৩০), মারুফুল ইসলাম (২৪), তানভীর আহম্মেদ সানী (২৪), ওয়ালিউল্লাহ ফারুক আদর (১৮), সামির চৌধুরী লিমন (১৮), ইমন আলী খান (১৯), ইয়াছিন আরাফাত আবির (২১), সিফাত রহমান (১৯), ইয়ামিন আরাফাত নিহাদ (২০), নাজমুল সরকার (১৯), আবির হোসেন (২১), তৌকির তারেক আয়াজ (২২) ও হাবিবুর রহমান (৪৭)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ মে ভোর ৪টা ১০ মিনিটের দিকে বনানী থানার আওতাধীন ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের নৌবাহিনীর সদর দপ্তরের (নেভি হেডকোয়ার্টার্স) বিপরীত পাশে কয়েকজন ব্যক্তি জড়ো হন। এ সময় একজনকে আটক করে পুলিশ। ওই ঘটনার সূত্র ধরে গত ১৩ জুন বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা একটি নিষিদ্ধ সংগঠনের সক্রিয় সদস্য। তাঁরা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। একই সঙ্গে সরকারবিরোধী স্লোগান–সংবলিত লিফলেট ও পোস্টার বিতরণের মাধ্যমে বর্তমান সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রে জড়িত।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযানকালে ঘটনাস্থল থেকে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসসংক্রান্ত লেখা ও নেতা–কর্মীদের ছবি-সংবলিত ২৪টি পিভিসি পোস্টার, একটি মোটরসাইকেল এবং কয়েকটি মুঠোফোন ফোন জব্দ করা হয়।
রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন, অর্থের জোগানদাতা ও পরিকল্পনাকারীদের শনাক্তকরণ এবং পলাতক অজ্ঞাতনামা আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য তাঁদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।