জয়পুরহাটে এক দিনে কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ, কৃষকের স্বস্তি

· Prothom Alo

জয়পুরহাটে এক দিনের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে থাকা মরিচচাষিদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

আজ রোববার জেলার আক্কেলপুর উপজেলার তিলকপুর হাটে কাঁচা মরিচ সর্বোচ্চ ৪২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। আগের দিন, শনিবার একই হাটে মরিচ বিক্রি হয়েছিল সর্বোচ্চ ২৩ টাকা কেজি দরে।

Visit somethingsdifferent.biz for more information.

জেলার সবচেয়ে বড় কাঁচা মরিচের পাইকারি বাজারগুলোর মধ্যে তিলকপুর হাট অন্যতম। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, জয়পুরহাট জেলার মধ্যে এই হাটে সবচেয়ে বেশি কাঁচা মরিচের আমদানি ও বেচাকেনা হয়। জেলার বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও আশপাশের জেলার ব্যবসায়ীরা এখান থেকে মরিচ কিনে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করেন। ফলে এ বাজারের দামের প্রভাব জেলার অন্যান্য বাজারেও পড়ে।

ব্যবসায়ী ও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার মরিচের ফলন ভালো হলেও মৌসুমের শুরু থেকেই বাজারে দাম কম ছিল। অনেক চাষিই উৎপাদন খরচ তুলতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। তবে আজ হাটে সরবরাহ কিছুটা কম থাকায় হঠাৎই দাম বেড়ে যায়।

তিলকপুর এলাকার মরিচচাষি রেজাউল করিম বলেন, ‘মরিচের উৎপাদন খরচই উঠছিল না। গত কয়েক সপ্তাহে ১৫ থেকে ২৩ টাকা কেজি দরে মরিচ বিক্রি করেছি। আজ হঠাৎ দাম বেড়েছে। হাটে ৩০ কেজি মরিচ এনেছিলাম। সবই ৪২ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি। এতে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছি।’

আরেক চাষি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এবার মরিচের বাজার খুব খারাপ ছিল। আগে ২০ টাকা কেজি দরে মরিচ বিক্রি করে লোকসান গুনতে হয়েছে। আজ তিলকপুর হাটে ৫৩ কেজি মরিচ এনেছিলাম। সকালে পাইকারেরা ৩২ টাকা কেজি দাম বলেছিলেন। কিছুক্ষণ পর ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি। পরে দাম আরও বেড়ে ৪২ টাকায় ওঠে। বাজার এভাবে থাকলে লোকসান কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।’

তিলকপুর বাজারের পাইকার রুস্তম আলী বলেন, আজ হাটে অন্য দিনের তুলনায় মরিচের আমদানি কিছুটা কম ছিল। সে কারণে দাম বেড়েছে। সর্বোচ্চ ৪২ টাকা কেজি দরে মরিচ বিক্রি হয়েছে। তবে আগামী দিনে সরবরাহ বাড়লে মরিচের দাম কিছুটা কমতে পারে।

Read at source