অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা: ভিসা আবেদনের আগে যা জানা জরুরি

· Prothom Alo

উচ্চশিক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের অন্যতম প্রিয় গন্তব্য অস্ট্রেলিয়া। দেশটিতে পড়াশোনার সুযোগ পেতে হলে নির্দিষ্ট কিছু ধাপ অনুসরণ করে শিক্ষার্থী ভিসা অর্জন করতে হয়। ভর্তি নিশ্চিত করা থেকে শুরু করে আর্থিক সক্ষমতা—সবকিছুই গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দেশটির সরকার। পুরো প্রক্রিয়াটি সহজভাবে তুলে ধরা হলো।

Visit catcrossgame.com for more information.

অফার লেটার পাওয়াই প্রথম ধাপ

কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন সফল হলে শিক্ষার্থী একটি ‘লেটার অব অফার’ পায়। এতে কোর্সের বিস্তারিত তথ্য, ভর্তি শর্ত এবং টিউশন ফি উল্লেখ থাকে। অফার গ্রহণের আগে শর্তগুলো ভালোভাবে পড়ে বোঝা জরুরি। বিশেষ করে রিফান্ড নীতিমালা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখতে হবে।

ভর্তি নিশ্চিতকরণ সনদ

অফার গ্রহণ ও নির্ধারিত অর্থ জমা দেওয়ার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীকে ভর্তি নিশ্চিতকরণ সনদ (কনফারমেশন অব এনরোলমেন্ট–সিওই) প্রদান করে। এটি প্রমাণ করে যে শিক্ষার্থী নির্দিষ্ট কোর্সে আনুষ্ঠানিকভাবে ভর্তি হয়েছে। শিক্ষার্থী ভিসার আবেদনের সময় এই নথি বাধ্যতামূলক।

ইংরেজি দক্ষতার প্রমাণ

অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় পাঠদান ইংরেজিতে হওয়ায় শিক্ষার্থীদের অনুমোদিত ইংরেজি ভাষা পরীক্ষার ফল জমা দিতে হয়। সাধারণত আইএলটিএস, টোয়েফল বা পিটিইর মতো পরীক্ষার স্কোর গ্রহণযোগ্য।

যুক্তরাষ্ট্রে ওপিটি জালিয়াতির তদন্ত, নজরদারিতে ১০ হাজার বিদেশি শিক্ষার্থী

শিক্ষার্থী হিসেবে প্রকৃত উদ্দেশ্যের প্রমাণ

শিক্ষার্থী ভিসার আবেদনপত্রে অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে চাওয়ার কারণ, তাদের জন্য কোর্সের কার্যকারিতা এবং নিজ দেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক —এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিতে হয়। অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষ এসব তথ্যের ভিত্তিতে আবেদনকারীর প্রকৃত শিক্ষার্থী হওয়ার বিষয়টি যাচাই করে।

আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ

ভিসা পেতে আবেদনকারীকে দেখাতে হবে যে তিনি পড়াশোনা ও জীবনযাপনের খরচ বহন করতে সক্ষম। বর্তমানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম ২৯ হাজার ৭১০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার বা ২৬ লাখ ৪ হাজার টাকার সমপরিমাণ আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ দিতে হয়। এর মধ্যে টিউশন ফি, ভ্রমণ ও বাসস্থানের ব্যয় অন্তর্ভুক্ত।

কানাডায় পড়তে গেলে প্রথম ৭ দিনে যা যা করবেন

স্বাস্থ্যবিমা

অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানের পুরো সময়ের জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ‘ওভারসিজ স্টুডেন্ট হেলথ কভার’ নিতে হয়। এই বিমা ছাড়া স্টুডেন্ট ভিসা আবেদন বাতিল হতে পারে।

স্বাস্থ্য ও চরিত্র যাচাই

স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদনকারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা দিতে হতে পারে। একই সঙ্গে অতীত আচরণ ও অপরাধসংক্রান্ত তথ্যও যাচাই করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ জমা দেওয়ার প্রয়োজন হয়।

জাপান উচ্চশিক্ষার গন্তব্য, যে যে ধাপ অনুসরণ করতে হবে

অনলাইনে আবেদন

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র বিভাগ পরিচালিত ‘ইমিঅ্যাকাউন্ট’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনলাইনে স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন করা যায়। আবেদন করতে কোনো এজেন্ট বাধ্যতামূলক নয়। তবে পেশাদার সহায়তা নিতে চাইলে নিবন্ধিত মাইগ্রেশন এজেন্ট বা আইনজীবীর সাহায্য নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপডেট থাকতে হবে

ভিসা অনুমোদনের পর শিক্ষার্থীদের সর্বশেষ ভ্রমণনির্দেশনা ও প্রবেশ নীতিমালা সম্পর্কে আপডেট থাকতে বলা হয়েছে। কারণ, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অভিবাসন ও ভ্রমণসংক্রান্ত নিয়ম পরিবর্তিত হতে পারে।

স্কলারশিপ দিচ্ছে সৌদি আরব সরকার, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদেরও সুযোগ

Read at source